Tuesday, 5 January 2016

ইন্ডিয়ান রেলওয়ে তে রিজার্ভেশন নিয়ে একটি মজার তথ্য। এমন ঘটনা যেটা অনেকেই সাথেই ঘটেছে কিন্তু কেউই সেভাবে খেয়াল করেনি।

: ইন্ডিয়ান রেলওয়ে এক্সাম ২০১৬:
(পরীক্ষায় আসুক বা না আসুক জানতে ক্ষতি কী?)
ইন্ডিয়ান রেলওয়ে তে রিজার্ভেশন নিয়ে একটি মজার তথ্য। এমন ঘটনা যেটা অনেকেই সাথেই ঘটেছে কিন্তু কেউই সেভাবে খেয়াল করেনি।
আমার বন্ধু অরুন, তার বড় আক্ষেপ। কত বার লং রুটের নাইটে রিজার্ভেশন করে ট্রেনে সফর করেছে,প্রতিবার ভাবে এবার যদি একটা মেয়ের পাশে সিট পাই,কিন্তু বিধি বাম, ম্যাক্সিমাম সময়ই পাশে কোনো মেয়ে থাকে না। বলুল তো একটা ব্যাচেলার ছেলের স্বপ্ন এইভাবে ভেঙে গেলো,এর থেকে খারাপ আর কী বা হতে পারে।
লক্ষ্য করলে দেখবেন বেশিরভাগ সময় পাশাপাশি মেয়েরাই সিট পায়,আর ছেলেরা আলাদা। মেয়েদের এই সিটের সিলেকশন এর ব্যাপার টা বেশী প্রাধান্য পায় আঠারো থেকে চব্বিশ বছর বয়েশী মেয়েদের বেলায়। সিট কোনোভাবে ই সমবয়সী ছেলেদের কাছে থাকেনা।(ব্যাতিক্রম হয় মাঝেমাঝে)
কি এই সিট সিলেকশন এর রহস্য?
এর পিছনে কাজ করে চলে সফটওয়ার পোগ্রামিং এর এক বিশেষ জটিল এলগরিদম, একটা লজিক্যাল ক্যালোকুলেশণ। এটা অনেক টা এই রকম।
ধরুন ১৯ বছরের একটা মেয়ে রিজার্ভেশন করাতে চায়,সফটওয়্যার খুঁজতে থাকে আর কোথায় সেম ক্লাসে মেয়েদের কাছে সিট খালি আছে।যদি থাকে তা হলে সিলেক্ট করে।না পেলে অন্য কথা।এর ফলে সমবয়সী মেয়েরা পাশাপাশি সিট পায়।ছেলেদের বেলাতেও সেম রুল, পাশাপাশি ছেলে রাখা হয়। (ব্যাতিক্রম সবজায়গা তেই হতে পারে)
এত গেল এলগরিদম এর কথা। কিন্তু আমার বন্ধুর কি হবে, মেয়ের পাশে বসার শখ কি আর পুরন হবে না?
একটা ট্রিক্স থাকলো আমার ব্যাচেলর বন্ধুদের জন্য, বাকিরা চোখ বন্ধ করুন।

এটা অনেক টা কম্পিউটার কে বোকা বানানো, প্রথমে কম বয়সি মেয়ের জন্য একটা টিকিট কাটুন অনেক আগে থেকে, একদম শেষ সময়ে ওই টিকিটটা ক্যানসেল করুন,আর নিজের জন্য তক্ষুনি সাথে সাথে একটা টিকিট বুক করুন। ভাগ্য একটু সহায় হলে আপনি কিছুক্ষণ পরেই সুন্দরী দের মাঝখানে।
উলটো পালটা কিছু ঘটলে আমি বা আমার পেজ কিন্তু দায়ী না। এই তো কদিন আগে ট্রেনে ধর্ষন নিয়ে খবরের কাগজ সরগরম ছিল।রোজ খারাপ খবর শুনতে আর ভালো লাগে না।সারাদিন তাই মেতে আছি টেকনোলোজি নিয়ে। এটাই ভালোবাসি। দেখেছি বিভিন্ন ইলেক্ট্রিক্যাল বা ইলেক্ট্রনিক্স রিপেয়ার শপে মানুষ কে কী হারে ঠকানো হয়।ওরা এটাকে লাভ বলেই বলে। যাই হোক আমি কাউকে দোষ দেব না। আমি চাই ন্যায্য মূল্যে মানুষ কে পরিসেবা দিতে।নিজের একটা ওয়ার্কশপ খোলার চেষ্টায় আছি।এখন আপাতত লেখালেখি করছি আমার ব্লগে আর পেজে।
পারসোনাল কথা বলে আপনাদের বোর করার জন্য আন্তরিক ভাবে আমি দুক্ষিত।
পারলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।
ভালো থাকবেন সবাই।লাইকে রাখতে পারেন এই পেজ টা।