Tuesday, 13 January 2015

সার্কিট ডায়াগ্রাম কপি করার চেয়ে নিজেই বুঝে নিন ব্যাপার তা , নিজেই করুন নিজের সার্কিট (ধারাবাহিকপোস্ট )


কেমন আছেন সবাই ,আগের পোস্টে what is MCB নিয়ে আলোচনা হয়েছে, 
এখানে আমি চেষ্টা করছি যারা নন টেকনিকাল স্টুডেন্ট ,মূলত তাদের বোঝার উপযোগী করে কিছু টেকনিকাল পোস্ট দেওয়ার , আমরা অনেকেই ইন্টারনেট থেকে সার্কিট ডায়াগ্রাম দেখে পিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স বানানোর চেষ্টা করি অনেকসময় পারি আবার অনেকসময় পারি না , যাদের educational ব্যাকগ্রাউন্ড টেকনিকাল তারা সার্কিট গুলো বুঝতে পারে প্রয়োজনে modify করেও নিতে পারে , কিন্তু যারা অনন্য honours বিসয় নিয়ে পরাসনা করছেন তারা ডায়াগ্রাম আর মত হুবহু কম্পোনেন্ট না পেলে প্রবলেম এ পরেন , আমার ও প্রথম দিকে যখন আমি স্কুল এ পরতাম আমার হত , 
তবে ভালো হয় আমরা বুঝে নেই সার্কিট তা কি ভাবে কাজ করে , তা হলে মনের মত করে নিজেরাই বানিয়ে নিতে পারব , তবে আমি এটা একটা বা দুটা পোস্টে বোঝাতে পারবনা , আমার পরপর পোস্টগুলো দেখবেন। ...........
আবার আসি মূল আলোচনায় , আমরা মূলত ছোটখাটো জ প্রজেক্ট গুলো বানাই সেগুলো মূলত দু ধরনের ,১.সার্কিট নিজে নিজেই ফ্রীলী কোনো কাজ করে , ২. সার্কিট পরিবেশ থেকে কিছু ইনপুট সেন্সর এর মাধ্যমে গ্রহণ করে(আলো ,তাপ,সব্দ  ইত্যাদি ) , সার্কিট তাকে প্রসেস করে আউটপুট দেয় 
যে কোনো সাধারণ সার্কিট চালাতে যে মূল দুইটা জিনিস লাগে সেটা হলো  ১.switching  ২.amplification 
কোনো কিছু চালু বা বন্ধ করতে সুইচ তো লাগবেই , বলুন তো আপনার বাড়ির switch  তা আপনি হাত দিয়ে সেকেন্ড এ  কত বার অন অফ করতে পারবেন , মনে হয়না ৫ বার এর বেসি পারবেন কিন্তু ইলেকট্রনিক্স এ কিছু হাই স্পিড switching আর দরকার পরে যা প্রায় সেকন্ডে ৫০ থেকে ৫০০০০ বার হতে পারে , তা হলে কি করে করবেন ?
হা ঠিক ধরেছেন এই কাজ কবে transistor , কিকরে সেটা পরে আলোচনা  করছি ,
এবার ধরুন সেকেন্ড টাইপ আর সার্কিট আর কথা পরিবেশ থেকে কিছু সেন্স করবেন সেন্সর দিয়ে , এখানে একটা কথা বলে  রাখি সেন্সর হলো এমন একটা জিনিস যেটা তে কোনো ভৌত রসি (তাপ ,চাপ শব্দ ) প্রয়োগ করলে তা এটার তুল্য পরিমান ইলেকট্রিকাল সিগনাল আউটপুট বার করে , স ক্ষেত্রে আবার এমন না যেমন ldr  তার রেসিস্তান্স পরিবর্তন করে সার্কিট কে পরিবেশের আলোর পরিমান জানান দেয় , যাক সে কথা যেটা বলছিলাম , যে এই এই সেন্সর গুলার আউটপুট সিগনাল  এতই কমজোরী হয় যে তা সরাসরি কন্ট্রোল সার্কিট এ ইফেক্ট করতে পার না , তাই এখানে প্রয়োজন হয়  এই সিগনাল গুলো কে শক্তিশালী করার মানে হলো amplification , এই কাজটাও আমরা করব এক বা একাধিক transistor  দিয়ে ,
এবার আসি transistor  নিয়ে , 
এটি একটি অর্ধপরিবাহী ডিভাইস , মূলত দু রকমের হয় ১. npn ২. npn 
বার বলি ত্রান্সিস্তর আর বিয়াসিং কি    .......................... continued