Friday, 2 September 2016

যারা গান শুনতে ভালোবাসেন ,আজকের পোষ্ট টা তাদের জন্য।


এটা সায়েন্টিফিক ভাবে প্রুভড যে সাউন্ড মানুষের মনের উপর গভীর ভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। একটা সুন্দর মেলোডি মিনিটে আপনার মন ভালো করে দিতে পারে। কিন্তু ভালো সাউন্ড ভালোভাবে শুনতে চাই ভালো স্পিকার বা হেডফোন, আর লাউড ভলিউমে শুনতে চাইলে ভালো কোয়ালিটি এম্পলিফায়ারের বিকল্প নেই।
প্রথম দিকে অডিও এম্পলিফিকেশন এর জন্য ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হত। তারপর আসে ট্রাঞ্জিস্টর। এখন তো কম পাওয়ারের এম্পলিফায়ারের জন্য রেডিমেড আই সি চিপ বাজারে পাওয়া যায়।
বাজারের সমস্ত এম্পলিফায়ার কে কয়েকটা শ্রেনিতে ভাগ করে ফেলা যায়। প্রতিটির নিজস্ব কিছু ভালো দিক এবং খারাপ দিক আছে। এগুলি নিয়ে একে একে আলোচনা হবে যাতে করে আপনি নিজের জন্য সঠিক এম্পলিফায়ার টপোলজি চয়েস করতে পারেন।
১। ক্লাস "A" Amplifier
এটা বেস্ট লিনিয়ার এম্প। হাই ফিডেলিটি রিয়েল সাউন্ড পাবেন এতে। এটা সিঙ্গেল ট্রাঞ্জিস্টর এম্পলিফায়ার। সমস্যা একটাই এর লো এফিসিয়েন্সি , মাত্র ৩০ পার্সেন্ট। পাওয়ার হিট হিসাবে নষ্ট হয়। ইনপুটে কোনো সিগ্ন্যাল না থাকলেও এটা পাওয়ার খরচ করে। তবে যারা প্রফেশনাল মিউজিসিয়ান বা সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার তারা এগুলো পছন্দ করেন।
২। ক্লাস "B" Amplifier
এখানে দুটো ট্রাঞ্জিস্টর পুস পুল কনফিগারেশনে লাগানো থাকে । এফিসিয়েন্সি বেশী কিন্তু সাউন্ডে সিস্টর্শন থাকে। এটা ব্যবহার হয়না।
৩। ক্লাস "AB" Amplifier
A এবং B এর ভালো গুন গুলির সংমিশ্রন এটি। তাই এটি প্রচুর পরিমানে ব্যবহার হয়। সাধারন পাব্লিকের গান শোনার জন্য উপযুক্ত।
৪। ক্লাস "C" Amplifier
এটা একটা রেজোনেন্ট সার্কিট ব্যবহার করে। এর এফিসিয়েন্সী খুব বেশী কিন্তু অডিও সাউন্ড কোয়ালিটি জঘন্য। এটা তাই সাউন্ড এপ্লিফিকেশনে ব্যবহার হয়না। রেডিও ফ্রিকোরেন্সী এম্পলিফিকেশনে এর ব্যবহার আছে।
এবার আসছি অত্যাধুনিক ডিজিটাল সুইচিং অডিও এম্পলিফায়ারে।
এটা ক্লাস D থেকে ক্লাস I পর্যন্ত আছে। এগুলি সম্পূর্ন নতুন সুইচিং টেকনোলজি তে কাজ করে। এর এফিসিয়েন্সী অত্যন্ত বেশী ৮০ থেকে ৯৯ পার্সেন্ট। আকারে ছোটো, গরম হয়না বললেই চলে। এখন বাজারে বেশীরভাগ ছোটো ছোটো চাইনিজ এম্পলিফায়ার একটি চিপ হিসাবে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এমন একটা ভালো চিপ PAM 8403। তবে এর সাউন্ড রিয়েল সাউন্ড নয়। একটা লো পাস ফিল্টার দিয়ে সৃষ্ট সাউন্ড, তবে গান মন দিয়ে না শুনলে পার্থক্য ধরতে পারবেন না।
সতর্কতাঃ এর পরবর্তী অংশটা শুধু আমার মতো মিউজিক ম্যাড দের জন্য। গান কি শুধু শোনা যায়? অনুভব ও করা যায়। যদি খুব মন দিয়ে শুনতে পারেন তবে। প্রতিটি বাদ্যযন্ত্রের হাজার হাজার ফ্রিকোয়েন্সি ও তাদের হার্মনিক্স একসাথে বেজে চলে অদ্ভুত ভাবে, বাজারের সাধারন এম্পলিফায়ার এর মধ্যে অনেক ফ্রিকোয়েন্সী কে ইগনোর করে। পার্থক্য ততটা বোঝা যায়না। লাইভ অনুষ্ঠানের মত অনুভূতি যদি ফিল করতে চান তা হলে ভ্যাকুয়াম টিউব এম্প ব্যবহার করুন না হলে ক্লাস A এম্প। বাজারে যদি না পান তা হলে আমাদের পেজে যোগাযোগ করতে পারেন। আরো জনতে আমাদের অফিসিয়াল সাইটে যান
লেখা : Er. A. Maity