Thursday, 24 September 2015

ম্যাগল্যাভ ট্রেন


জাপানের মনোরেলের নাম নিশ্চই সকলের শোনা, এর গতিবেগ ঘন্টায় প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ কিমি।যেখানে ভারতে বড়জোর ১২৫ কিমি।
এটা হল ম্যাগল্যাভ ট্রেন,চলে তড়িৎচুম্বকের শক্তিতে। চুম্বকের উপর চুম্বকের ভেসে
থাকা এটাই ম্যাগনেটিক লেভিটেশন।আমরা জানি চুম্বকের সমমেরূ পরস্পর কে দূরে ঠেলে দেয়। এই সহজ নীতির উপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে মনোরেল।
                              

 সিঙ্গেল লাইনে চলে, মাথার উপর দিয়ে, সম্ভবত এই কারনেই একে মনোরেল বলা হয়। এই ট্রেনে ইঞ্জিনের কোনো প্রোয়জন নেই, স্টেটরের ম্যাগনেটিক ফিল্ড একে প্রয়োজনীয় শক্তি প্রদান করে..
ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভাষায় বলতে গেলে এটা লিনিয়ার ইন্ডাকশান মোটর।
ভারতে কিছুদিন আগে এমন ট্রেন আনার পরিকল্পনা চলছিল। বিশেষ কিছু লিমিটেশনের জন্য যা সম্ভব হয়নি,
প্রথমত শুরু করতে খরচ প্রচুর, এরপর এর লোডিং এর একটা লিমিট আছে, ভারতের মতো ওভারপপুলেটেড দেশে এটা মেইনটেন করা কঠিন।
লম্বা সোজা লাইনের প্রয়োজন, জমির সমস্যার জন্য এটা করা কঠিন।
তবে ভবিষ্যতে কোনোদিন নিশ্চই হবে এই আশাতেই থাকা ভালো।

ইউনিভারসাল মোটর

এসি অথবা ডিসি দুটোতেই চলে এই মোটর , এটা ইউনিভারসাল মোটর। অনেকে আবার এটাকে আসি সিরিজ মোটর বলতে ভালোবাসেন।আগের পোস্টে আলোচনা হয়েছে এটা কীভাবে কাজ করে।
এখন যদি বলা হয় মোটর টা কে উলটো দিকে ঘোরাতে তা হলে কী করতে হবে? 
 খুবি সহজ ভাবে এটা করা যায়, ব্রাসের কানেকশন উলটে দিয়ে।
অনেক এপ্লিকেশন আছে যেখানে ভেরিয়েবল স্পীডের দরকার হয়, সেখনে উপায় হল স্পীড কন্ট্রোল।
সাধারনত তিন রকমভাবে এটা করা যায়—
১। মটরের সাথে ডাইরেক্ট রেজিস্টেন্স লাগিয়ে।
২।ফিল্ড ওয়াইন্ডিং এ বিভিন্ন স্থানে ট্যাপিং করে প্রয়োজনীয় ফিল্ড ইন্টেন্সিটি দিয়ে।
৩।সেন্ট্রীফিউগাল সুইচ ব্যবহার করে।
আজ এই পরযন্তই ।

আপনার প্রয়োজন মতো সঠিক ব্যাটারি নির্বাচন করুন।ব্যাটারি কেনার আগে জেনে নিন ব্যাটারির সাতকাহন

টেকনোলজি ক্রমশই বিদ্যুৎ নিরভর হয়ে পড়ছে, সঙ্গত কারনেই বাড়ছে ব্যাটারির চাহিদা, আরো বিষদ ভাবে বলতে গেলে রির্চাজেবল ব্যাটারির।
মোবাইল ফোন থেকে ইনর্ভাটার,টোটো গাড়ি সবকিছুতেই লাগছে ব্যাটারি।কিন্তু সব জায়গাতে একই রকম ব্যাটারি লাগেনা , স্পেসিফিক পারপাসে স্পেসিফিক কনফিগারেশনের ব্যাটারি লাগাতে হয়, তা না হলে সঠিক পারর্ফরমেন্স পাওয়া যায়না।
আজকে আমরা একটা ভালো ব্যাটারির কী কী স্পেসিফিকেশন থাকা উচিৎ তা নিয়ে আলোচনা করব।
১।সাধারনত একটা বড় ব্যাটারি অনেকগুলো একক ছোট ছোট ব্যাটারি সিরিজ অথবা প্যারালাল করে বানানো হয়, এগুলো কে বলে সেল।
প্রতিটা সেলের ভোল্টেজ হয় প্রায় ছয় ভোল্ট।
২।সাধারনত দুরকম কাজের জন্য ব্যাটারি বানানো হয়, একরকম দিতে পারে হাই পাওয়ার ,অন্যটা দিতে পারে হাই ডুরাবিলিটি।গাড়ির জন্য ডুরাবিলিটি একটা ইম্পরটেন্ট বিষয়।
৩।সি রেট- একটা ব্যাটারি থেকে ম্যাক্সিমাম কত কারেন্ট সেইফলি টানা যাবে এটা নির্দেশ করে। ধরুন একটা ব্যাটারি 100 AH, c rate-1c, তা হলে আপনি ব্যাটারি থেকে ম্যাক্সিমাম ১০০ amp current টানতে পারবেন। তার বেশি টানলে ব্যাটারি খারাপ হবে, আগুন ও লেগে যেতে পারে।
৪। ই – রেট= এটা হল ম্যাক্সিমাম এনার্জী ডিসচার্জ রেট। এর ভ্যালু যত বেশি হবে তত ভালো।
৫।ডেপথ অফ ডিসচার্জ= টোটাল ক্যাপাসিটির কত পার্সেন্ট সেইফলি ডিসচার্জ করা যাবে এটা টা নির্দেশ করে। ইনর্ভারটার এর বেলায় এটা বেশী হওয়া ভালো। 
                                             ৬।লোডেড অবস্থায় এবং নো লোড অবস্থায় টার্মিনাল ভোল্টেজের পার্থক্য যত কম হবে ততই ভাল।
৭।ব্যাটারির ইন্টার্নাল রেজিস্টান্স বিভিন্ন কন্ডিশনে বিভিন্ন হয়, এটা বেশি হলে ব্যাটারির এফিসিয়েন্সি এবং থার্মাল স্টেবিলিটি কমে জায়।
৮। কাট অফ ভোল্টেজ = টার্মিনাল ভোল্টেজ যে ভ্যালুর নীচে নেমে গেলে ব্যাটারি আর ব্যবহার করা সেইফ নয়। কেনার সময় এটাও নজর রাখতে হবে।
৯।লাইফ সাইকেল= প্রতিটা ব্যাটারি কে সর্বোচ্চ কত বার চার্জ এবং ডিসচার্জ করা যাবে তার একটা লিমিট আছে এটাই লাইফ সাইকেল। এই লিমিটের পরে ব্যাটারির পারফরমেন্স কমে জায়।
তাই ব্যাটারি কেনার সময় যত বেশি লাইফ সাইকেল পারা যায় কেনা ভালো।
১০।এনার্জী প্রতি গ্রামে= প্রতি গ্রাম কেমিক্যাল কতটা শক্তি ধরে রাখতে পারে এটাই তার পরিমাপ। খনিজ তেলের এই ভ্যালু খুব বেশি। ব্যাটারি তে এই ভ্যালু তুলনামূলক অনেক কম। তাই তেলের গাড়ি বেশী লোড নিতে পারে। কীভাবে ব্যাটারির এই ভ্যালু বাড়ানো যায় তা নিয়ে বিস্তর গবেষনা চলছে।
লেখা- Abhijit Maity.
B tech(Electrical Engineering)

Wednesday, 16 September 2015

এসি সিরিজ মোটর



ড্রীল মেসিন মনে হয় সকলেই সেখেছেন, বিচ্ছিরি শব্দ করে চলে।কান ঝালাপালা করে দেবার মতো অবস্থা।তবে যাই হোক এটা কিন্তু দারুন কাজের জিনিস।
আবার যারা সেলাই মেসিন চালান তারাও একধরনের মোটর ব্যবহার করেন।
এখন জানবার জিনিস হল এগুলো কি ধরনের মোটর , এদের সুবিধা অসুবিধা, কেনই বা এগুলো ব্যবহার করা হয় আর বেসিক হাতুড়ে মেরামতি।
এটা আসলে এসি সিরিজ মোটর, অনেকে এটাকে ইউনিভারসাল মোটর ও বলেন। এটি সাধারনত এসি এবং ডিসি দুটোতেই চলে। আরমেচার টি ডিসি মেসিনের মতোই।
দুপাশে দুটো কারবন ব্রাস থাকে।
যেসব কাজে টরক অনেক বেশি লাগে সেখানে এগুলো ইউজ করা হয়। যেমন ড্রীল, লেদ, গ্রাইন্ডার ইত্যাদি।
এইসব মোটরের স্পীড খুব বেশী হয়, প্রতি মিনিটে প্রায় ত্রিশ হাজার আর রিভোলিউশন হতে পারে।
কমন সমস্যা একটাই স্পারকিং আর ব্রাস খয়ে যাওয়া।
আপনি চাইলেই ব্রাসটা বাজার থেকা কিনে পালটে নিতে পারেন, আর স্পারকিং কমানোর জন্য আরমেচার টি কে পরিস্কার রাখুন। মোটরে স্পারকিং হলে এই অবস্থায় বেশি চালাবেন না। আশেপাশে দামী ইলেক্ট্রনিক্স পন্য যেমন মোবাইল রাখবেন না।