Thursday, 26 March 2015

A industrial visit to Mejia Thermal Power Station



A industrial visit to Mejia Thermal Power Station
An educational tour always becomes very interesting , enjoyable moment for students. There are so many things to learn in an industrial visit. Recently we had a visit to Mejia Thermal Power Station.
A little information about Mejia Thermal Power Station-
It is situated in India, state- West Bengal, District- Bankura, Durlovpur, Mejia.35 km apart from Durgapur.
Commission Year-1996
This power station is under DVC.
The primary fuel of this plant is coal. It is heard that DVC has so much amount of coal to run this plant continuously for 30 years.
Power generation Capacity-  This plant has total eight units , first four each of capacity of 210MW, unit five and six having capacity of 250MW each, and seventh and eighth unit having capacity of each 500MW. Name plate says it generates 2340MW.
All the turbines and Electrical equipments are made by BHEL.  Here I present some pictures inside and outside of the plant. Lets see and enjoy
















Thursday, 5 March 2015

আসুন পুরানো খেলনা গাড়ি দিয়ে কাজের জিনিস বানাই

আসুন পুরানো খেলনা গাড়ি দিয়ে কাজের জিনিস বানাই
কেমন আছেন সবাই? চলুন আরও একটু অলশ হয়ে জাই সবাই, কয়েকদিন ধরে মেসে একটা প্রব্লেম হচ্ছিল, বিসেস কিছু না। রুমে থাকি ৪ জন, রাতে ঘুমানোর আগে লাইট অফ করা নিয়ে ঝামেলা, সুইচ অনেক উপরে, বেডের উপর দারিয়ে তবে হাত পায়, আবার বেডের উপর দারালে সিলিন ফ্যান মাথায় লাগার ভয়। কয়েক দিন ধরে ভাবছিলাম, কি করে বিছানায় শুয়ে শুয়ে লাইট টা কন্ট্রোল করা জায়, নেট দেখে একটা ইনফ্রা রেড রিমোট বানালাম কিন্তু প্রব্লেম একটাই ফলস ট্রিগার নেয়, আপনা আপনি অফ হয়ে জায়।(এটার সমাধান কারো কাছে থাকলে শেয়ার করবেন প্লিজ)
বাড়িতে এসে চোখে পড়লো ভাই এর ভাংগা রিমোট গাড়ি টা। গাড়ি টার রিমোটে দুটো সুইচ, একটা টিপলে সামনে জায়, আর একটায় পিছোয়। মানে ভিতরের ডিসি মোটর টা রিভারস হয়। প্রথমে ভাবলাম জাস্ট একটা রিলে লাগিয়ে দিলেই হয় । কিন্তু একটা প্রব্লেম , জতখন রিমোট টিপে রাখা হবে মোটর অন থাকবে ছেড়ে দিলেই অফ, তা হলে কি সারা রাত রিমোট টিপে বসে থাকতে হবে?
না, একটু কায়দা করতে হবে।
মোটরের সাথে একটা পেরেক লাগান। ছবির মতো করে একটা টিনের প্লেট লাগান।

 প্লেটের নিচে একটা চুম্বক লাগান, চুম্বক তা আঠা দিয়ে বাক্সের সাথে সেটে দেবেন। এবার মোটর টা বাম দিকে ঘুরলে পেরেক আর টিনের টাচ হয়। এটাকে সুইচ হিসাবে ইউজ করুন। আর চুম্বক টা দিলাম জাতে পেরেক টা লাগার পর ছিটকে না জায়, আর স্পারকিন কমায়।


টেস্ট করতে গিয়ে আবার বাচ্চার ভালো গাড়ি নস্ট করবেন না জেন। বাচ্ছাদের কান্না আমি দেখতে পারি না।
face book e ami

আমার সাদামাটা EEE PROJECTS ব্লগ টা দেখতে পারেন।

জন্ম দিনে বেলুন ফাটান একটু অন্য ভাবে (ছোটোদের জন্য)

জন্ম দিনে বেলুন ফাটান একটু অন্য ভাবে (ছোটোদের জন্য)
তখন ছোটো ছিলাম, মামার ছেলের অন্নপ্রাশনে গেছি মামার বাড়ি। তখন জন্মদিনে বেলুন ফাটানো ছিল এক মজার জিনিস, কে কটা ফাটাতে পারে তাই নিয়ে ভাই দের মধ্যে প্রতিজোগিতা।
কিন্তু সেবার ছিল বিধি বাম, বেলুন গুলো লটকানো হয়েছে প্যান্ডেলের ছাঁদ থেকে। হাত পায় না কিছুতেই।কিন্তু বেলুন তো ফাটাতেই হবে। হঠাত একটা কুট বুদ্ধি এলো মাথায়। ভাঙ্গা পেন এর রিফিল দিয়ে বানালাম মিনি পিস্তল।


খুব সহজ,ছবি গুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন, স্টেপলার এর পিনের আগায় রিফিলের পেছন তা ঢোকান, রাবার টা টানুন, পেনের খাপের ফুটো দিয়ে বেলুনের দিকে তাক করুন, এবার রিফিল তা ছাড়ুন। আর দুম ফটাস।

আমার সাদামাটা ছোট্ট ব্লগ টা ঘুরে আসতে পারেন।

Tuesday, 3 March 2015

ব্যাটারি দিয়ে টিউব লাইট জালানোর সবথেকে সহজ উপায়

ব্যাটারি দিয়ে টিউব লাইট জালানোর সবথেকে সহজ উপায়
আমরা অনেক রকম জটিল ইনভারটার সারকিট ব্যবহার করেছি ৬ ভোল্ট ব্যাটারি দিয়ে ২০ ওয়াট টিউব জালানোর জন্য।
আজকের সারকিট টা অনেক সহজ। এখানে আমরা অসিলেশনের জন্য ব্যবহার করব ট্যাঙ্ক সারকিট। এটা বানাবো একটা রেসিস্টর ও ক্যাপাসিটর কে প্যারালাল করে। তারপর এই অসিলেশন কে একটি পাওয়ার ট্রানজিস্টার এর মাধ্যমে পাঠাব একটি সেন্টার ট্যাপ স্টেপ আপ ট্রান্সফমারে। আপনি একটি সাধারন স্টেপ ডাউন ট্রান্সফমার কে উলটো করে ব্যবহার করতে পারেন। ট্রানজিস্টার এর কালেক্টর ও বেসের মধ্যে ফিডব্যাক দেওয়াটা খুব জরুরি, কারন এটাই  অসিলেশন মেইনটেন করে। টিউব টি জলার সময় প্রায় ২.৫ A কারেন্ট টানে, কাজেই ভালো মানের ট্রান্সফমার ব্যবহার করা জরুরি।ট্রানজিস্টার এর সাথে অবস্যই হিট সিঙ্ক লাগাতে হবে।

এখানে রেজিস্ট্যান্স টি ভ্যারিয়েবল করলে সুবিধা হয়, যদি টিউব টি না জলে তা হলে রেজিস্ট্যান্স এর ভ্যালু ঠিক করে ফ্রিকোয়েন্সি বাড়িয়ে কমিয়ে দেখতে পারেন।
নতুন দের কাজের সুবিধার জন্য একটা আনুমানিক ভারতীয় মার্কেট প্রাইস দিয়ে দিলাম।
Item with specification
Rate(Indian market)
quantity
amount
Transformer 220/6-0-6v,3A
225
1
225
Transistor AD149
5
1
5
Heat sink
4
1
4
Battery 6V,
250
1
250
SPST switch
5
1
5
Resistance 30ohm, 10W
6
1
6
Capacitor, 0.47uf,160V
4
1
4
Cabinet
75
1
75
20watt tube
33
1
33
Miscellaneous


20



Total=627






ইলেক্ট্রনিক্স প্রেমিরা দেখতে পারেন  EEE PROJECTS AND INNOVATIONS

দ্য লিঙ্ক

আমার লেখা একটি কল্প বিজ্ঞানের গল্প , কেমন হচ্ছে জানাবেন
                                                             দ্য লিঙ্ক 
প্রফেসর সিনহা আজকাল বড়ই অস্থির হয়ে পড়েছেনসকাল থেকেই বারান্দায় পায়চারি করছেন এপাস থেকে ওপাসমাথার চুল গুল সব এলোমেলো ,শুকনো চোখে  তাকিয়ে আছেন জল্ভরা রঙ্গিন মাছের আকোরিয়াম টার দিকে আজকাল জল দেখলেই ভয় পান প্রফেসর সিনহা    কিন্তু তার তো জলাতঙ্ক হয় নিএইতো মাত্র মাস ছয়েক আগের কথা,জল নিয়ে গবেশনা করতে করতে কাটিয়ে দিয়েছেন ঘন্টার পর ঘন্টা সফল ও হয়েছেন তিনি ইন্ডিয়ান অল্টারনেটিভ কমিউনিকেসান রিসারচ সেন্টার এর নাম শিখরে নিয়ে গেলেন তিনি
ক্রমাগত সোলার স্ট্রম আর উচ্চ শক্তির মহাজাগতিক রস্মির কবলে প্রচলিত স্যাটেলাইট কমুনিকেসানের নাজেহাল অবস্থা প্রায় সবকটি উপগ্রহ ই বিকল
সম্পুরন কমিউনিকেশন সিস্টম ভেঙ্গে পরেছে , নাসার সাথে সমস্ত স্পেস স্টেশন এর সম্পরখ বিচ্ছিন্ন গোটা বিশ্ব জুড়েই টালমাটাল অবস্থা পরিবাহী তার দিয়ে লোকাল এরিয়া তে কমিউনিকেট করা জায়, কিন্তু গোটা বিশ্বের জন্য তা কিভাবে সম্ভব? বিজ্ঞানি মহল মরিয়া হয়ে খুজতে লাগলেন বিকল্প কনো পথ
প্রফেসর সিনহা ছিলেন তাদেরি এক জন
বিজ্ঞানিদের মধ্যেও একরকম নিরবাক প্রতিজোগিতা শুরু হয়ে গেল। কোন দেশ আগে কোনো বিকল্প উপায় বার করবে তাই নিয়ে দেশ বিদেশের পেপারে চলল গুজব।  অনেক বিজ্ঞানি অনেক রকম উপায় এর কথা বললেন , কিন্তু ঠিক কাজের কাজ কোনোটাতেই হল না।  এদিকে নিরবে কাজ করে চলেছেন প্রফেসর সিনহা।
সেদিন দিনটা ছিল ৭ ই ফেব্রুয়ারী ২০৫২ , সবাই কে অবাক করে দিয়ে প্রফেসর প্রকাশ করলেন তার সুদিরঘ গবেশনার ফলাফল। উন্মুক্ত করলেন বিশ্ব বাসির কাছে এমন একটা উপায় , জা বদলে দিতে চলেছিল আগামি । কমিউনিকেসন এক নতুন পদ্ধতি। প্রথম টা বিজ্ঞানি মহলে অনেক হাসি ঠাট্টা চলেছিল থিওরি টা নিয়ে। কিন্তু প্রফেসর সিনহা তো আর দমবার পাত্র নন । দেশের সম্মানের প্রশ্ন যেখানে সেখানে তো আর অবহেলা করা চলেনা। 
কাজ শুরু করলেন বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে, যে ভাবেই হোক তাকে তাকে থিওরির এপ্লিকেশন করতেই হবে। না হলে যে এক অপার সম্ভবনা মানব জাতির কাছে চিরদিনের মত অধরা থেকে যাবে।
সেদিনই আনিয়ে নিলেন বিশাল বিশাল মাটির কুজো, সবগুলো ভরতি করলেন জল দিয়ে,নিজের পকেটের টাকা খরচ করে কিনলেন সবথেকে আধুনিক কনফিগারেসন এর কম্পিউটার।প্রফেসর সিনহার ব্যাকগ্রাউন্ড কম্পিউটার সায়েন্স। পি এইচ ডি করেছেন কমিউনিকেসন নিয়ে। আজ তাকে জীবনের অরজন করা সব শিক্ষার ব্যবহার করতে হবে হাতেনাতে। কলেজের ল্যাবে ইলেট্রোম্যাগ্নেটিক ওয়েভ কে কোডি; করেছেন অনেকবার।মোবাইল, রেডিও, ইন্টারনেট কমিউনিকেশনে জা হামেসাই ব্যবহার হয়। কিন্তু এবার চ্যালেঞ্জ টা একটু অন্যরকম অদ্ভুতও বটে।প্রথম টা প্রফেসসর এর নিজেরি মনে হয়েছিল ব্যাপার টা অসম্ভব।কিন্তু বিজ্ঞানের কাছে অসম্ভব বলে কিছু নেই। আজ জেটা আপাত অসম্ভব বলে মনে হয় কাল সেটা বিজ্ঞান সম্ভব করবেই। মধ্যজুগের মানু্স কি ভাবতে পেরেছিল আজকের কম্পিউটার এর কথা।

 সেদিন টা ছিল রবিবার প্রফেসর হন্যে হয়ে চলেছিলেন টিউব ওয়েল বসানর এজেন্সি তে।কথা বললেন ম্যানেজার এর সাথে।প্রফেসর এর কথা সুনে একটু হাসলেন প্রফেসর। তারপর বললেন “ আপনাকে আমাদের মেসিন গুলো দিতে পারি, তবে একটা শরতে,আপনার এক্সপেরিমেন্ট যদি সফল হয়, আমাদের এজেন্সির নাম থিসিস পেপারে রাখতে হবে”। প্রফেসর এক বাক্যে রাজি হলেন, জেন এমন সুজগটাই চাইছিলেন মনে মনে।ল্যবে এনে জড়ো করলেন মাটিতে গরত করার মেসিন।পিভিসি পাইপ, আরও নানা জিনিস।continued

Monday, 2 March 2015

Quickly make a LED indicator

Quickly make a LED indicator
You may ask me that why should I waste my time by reading “how to make a LED indicator”. I already have neon indicators in my switch board.
Actually a conventional neon indicator draws a significant amount of power from the supply. It causes an adverse effect in your electricity bill.
So, what next?
Just replace the neons by bright LED. But you can’t drive an LED directly with mains power supply like conventional neons. If you try it the LED will be burnet out. So you have to limit the current through the LED. Simply put a 100 ohm resistance in series . but led is a DC device. When you put it in 50Hz supply it will turn ON and OFF 50 times in a second. You can not detect it with your eyes. But it is harmful for LED life. So just put a rectifier diode there.
Circuit-


Put it in all of your switch board and save energy.
Hope you have enjoyed the post. Don’t forget to leave a comment.


Make an instant geyser at your home


A geyser sometimes becomes very essential in winter season mainly for bathing purpose. How it would be if you can make an instant geyser by your own hand?

 In this post I am going to discuss how to make an instant geyser and the cost of the material needed. 
An instant geyser is slightly different from conventional geyser . A conventional geyser gives hot water taking more time than an instant geyser. Though it’s name is instant geyser, it takes near about 30 seconds to supply hot water. This type of geyser is not designed for large capacities like a storage of hot water. An optimum volume of the container is needed for proper heating.
Main working principle of instant geyser-


We all know that if current passes through a resistance, the resistance becomes hot. This resistance heating principle is implemented in instant geyser. The water first enters through the  inlet and then goes to the container. But it does not stay in the container, it almost immediately starts flowing through the outlet. The geyser resistive element is placed  inside the container. It consumes high power(near about 3kw) to heat the water. The heating of the water depends on the rate of flow of water. For high rate of flow heating will be low and vice-versa. Here we use a thermostat switch for safety of the heating element. When the flow of water becomes very low and the temperature inside becomes very high, the thermostat switch automatically trips  OFF the power supply.   The temperature in which the thermostat switch will trip is prefixed and it depends on it’s setting.

 Here you can add an indicating lamp connecting to the mains.
What you must keep in your mind-
1.   Do not switch on the geyser without assuring circulation of water through the geyser. Otherwise the heating element will burn out soon.
2.   Dip the heating element fully in the water.
3.   Must check the thermostat tripping temperature before setting. This is in general 55 to 60 degree C.
4.   Must provide proper earthing.
Estimating and Costing of Materials
Sl No.
Item with specification
Rate(Rs.)
Quantity(Nos)
Amount(Rs)
1
Geyser element of 3 KW rating
350 each
1
350
2
Thermostat switch
150 each
1
150
3
Cylindrical container of length 30cm and diameter 16cm
1500 each
1
1500
4
Chromium plated steel pipe of about 1cm diameter
100 each
1
100
5
Rubber pipe of 1.2 cm diameter
17/m
2m
34
6
Indicating neon lamp
12 each
1
12
7
Plug top with lead
100 each
1
100
8
miscellaneous


25




Total=2271




Say=2275





    
Hope you have enjoyed the post and don’t forget to leave a comment. Keep visiting www.abhieeeprojects.blogspot.com

Post written by Abhijit Maity.

Whats app - +91 9641977195