Wednesday, 27 January 2016

ইলেক্ট্রিসিটি অর্থাৎ বিদ্যুৎ নিয়ে দশটি ইন্টারেস্টিং তথ্য। (দেখুন তো কতগুলি আপনি জানেন)


১। বিদ্যুৎ প্রায় আলোর বেগে গমন করে, যা সেকেন্ডে প্রায় ১৮৬,০০০ মাইল প্রতি সেকেন্ডে।
২।স্ট্যাটিক ইলেক্ট্রিসিটি অর্থাৎ স্থির তড়িৎ প্রায় ৩০০০ ভোল্টের স্পার্ক সৃষ্টি করতে পার। উদাহরন ভ্যান ডি গ্রাফ জেনারেটর।
৩।বজ্রপাত যেখানে আছড়ে পড়ে মূহুর্তে সেখানে তাপমাত্রা বেড়ে হয় প্রায় ৫৪,০০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট।
৪।ইলেক্ট্রিক রে মাছ তা শরীরে প্রায় ৫০০ ভোল্টের বিদ্যুৎ সৃষ্টি করতে পারে।এরা এটাকে মূলত আত্মরক্ষা এবং কমিউনিকেশন এর জন্য ব্যবহার করে।
৫। বিদ্যুৎ এর তারে পাখি বসলেও তার শক লাগে না কারন গ্রাউন্ড কানেকশন পায়না। এটা কেবল মাত্র কম ভোল্টেজের লাইনেই দেখা যায়। আপনি কখোনো ৩৩,০০০ ভোল্টের লাইনে পাখি বসতে দেখেছেন কী?
৬। দুটি সম চার্জ পরস্পরকে বিকর্ষন করে এবং বিপরীত চার্জ আকর্ষন করে।
৭।বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন প্রথম ঘুড়ীতে তার বেধে কৃত্রিম ভাবে বজ্রপাত করিয়েছিলেন। লাইটনিং রড এর ধারনা তারই।
৮। আপনার ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস টির উপর ছোটো খাটো বজ্রপাত হলেও কিছু হবে না যদি আপনি সেটী একটি পরিবাহী পদার্থের জালের ভিতর রাখেন। কারন আধান সবসময় পরিবাহীর বাইরের পৃষ্টে থাকার চেষ্ঠা করে।
৯।“G F C I” বা গ্রাউন্ড ফল্ট সার্কিট ইন্টারাপ্টার হল এমন একটি ডিভাইস যেটা বাড়ির ওয়ারিং এ লাগালে আপনার বাড়ির বাচ্চারা বা আপনিই কোনোদিন শক খাবেন না।

১০। ফুয়েল সেল হল এমন এক অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যেটা পেট্রোলিয়াম কে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিনত করে একে না পুড়িয়েই। ফলে পরিবেশ দুষন হয়না।

Monday, 25 January 2016

আসুন অন্যের সার্কিট কপি না করে নিজে ডিজাইন করি।(পার্ট ১) (ট্রাঞ্জিস্টর বায়াসিং টেকনিক)

ট্রাঞ্জিস্টর এবং ট্রাঞ্জিস্টর বায়াসিং
ইলেক্ট্রনিক্স সার্কিটে বহুল ব্যবহৃত একটি সেমি কন্ডাক্টর কম্পোনেন্ট হল ট্রাঞ্জিস্টর।মূলত দুটি কাজে এটা ব্যবহার করা হয়-
১।সিগ্ন্যাল এম্পলিফিকেশন এর জন্য।
২।সুইচিং ডিভাইস হিসাবে।
একটা ট্রাঞ্জিস্টর কে সার্কিটে কাজের উপযোগী করে তুলতে এর বিভিন্ন জাংশান পয়েন্টে উপযুক্ত ডিসি ভোল্টেজ এপ্লাই করা হয়।একেই বলে বায়াসিং।
নোটঃ বেস এমিটার জাংশান সর্বদা ফরোয়ার্ড বায়াসে থাকবে এবং বেস কালেক্টর জাংশান সর্বদা রিভার্স বায়াসে থাকবে।
বায়াসিং কিভাবে করব এবং কী পরিমান ভোল্টেজ কোথায় দিয়ে বায়াসিং করব তা জানতে হলে আগে কয়েকটি বিষয় জানতে হবে।
ফেইথফুল এম্পিফিকেশন কী
আমরা সবসময় চাই যে, ইনপুট সিগ্নাল এর ওয়েভফর্ম যেমন আউটপুট সিগ্ন্যাল এর ওয়েভফর্ম একই হোক শুধু এম্পলিচিউড টা বেশী হোক।এটাই ফেইথ ফুল এম্পলিফিকেশন। যদি বায়াসিং ঠিক ঠাক না করা হয় তা হলে ইনপুট ওয়েভফর্ম এর কিছু অংশ বাদ পড়ে যেতে পারে।যেটা অবশ্যই আমাদের কাম্য নয়।
ফেইথফুল আম্পলিফিকেশন এর জন্য কী কর্তব্য?
যদি বেস –এমিটার জাংশানে কোনো বায়াস ব্যাটারি না থাকে তা হলে ইনপুট সিগ্ন্যাল এর নেগেটিভ পার্টের জন্য এই জাংশান রিভার্স বায়াস হয়ে যায়,ফলে ট্রাঞ্জিস্টর অফ কন্ডিশনে চলে যায়। ফলাফল হিসাবে এই অংশ আউটপুট ওয়েভফর্ম থেকে কাটা পড়ে,যেটা অবশ্যই কাম্য নয়।এজন্য বেস-এমিটারের মাঝে এমন ভাবে বায়াসিং করআ হয় যাতে কোনোভাবেই না সিগ্ন্যাল এর নেগেটিভ পার্ট ওই জাংশান কে রিভার্স বায়াস করতে পারে।
আরো কয়েকটি কন্ডিশন এখানে মেইন্টেন করতে হয়, যেমন-
১।মিনিমাম বেস এমিটার ভোল্টজ
জার্মেনিয়াম ট্রাঞ্জিস্টরের জন্য ০.৫ ভোল্ট
সিলিকন ট্রাঞ্জিস্টরের জন্য ০.৭ ভোল্ট
২।মিনিমাম এমিটার কালেক্টর ভোল্টেজ
জার্মেনিয়াম ট্রাঞ্জিস্টরের জন্য >০.৫ ভোল্ট
সিলিকন ট্রাঞ্জিস্টরের জন্য >১ ভোল্ট
প্রাক্টীক্যালি যদি ০.১ ভোল্টের কম কোনো ভোল্টেজ যদি ডাইরেক্টলি এপ্লাই করা হয় তা হলে,কালেক্টর কারেন্টে তেমন চেঞ্জ হয়না।
প্রতিটি ট্রাঞ্জিস্টর এর একটা কিউ (Q)পয়েন্ট থাকে, এটা স্যাচুরেশন এবং কাট অফ এর মাঝের একটা স্টেবল ডিসি অপারেটিং পয়েন্ট।
স্যাচুরেশন এবং কাট অফ রিজিয়ন এর মাঝের অংশ কে বলে লিনিয়ার রিজিয়ন।এই অঞ্চলের ভিতর কোনো সিগ্ন্যাল এপ্লাই করলে ফেইথফুল এম্পিফিকেশন হয়।


এবার আসি বিভিন্ন ধরনের বায়েসিং টেকনিক নিয়ে।
প্রথমত দুটি পৃথক ব্যাটারি দিয়ে বায়াস, একটা সার্কিটে একাধিক ব্যাটারি ব্যবহার করা ইকোনোমিক্যাল নয় তাই এই মেথড ব্যবহার করা হয়না। তার পরিবর্তে এমন কিছু সার্কিট কনফিগারেশন টেকনিক ব্যবহার করা হয় যেটা একটাই সোর্স থেকে ভিভিন্ন ভাবে ট্রাঞ্জিস্টর কে ডিসি বায়াস প্রদান করে। এমনই কয়েকটা টেকনিক হল-
১।বেস রেজিস্টর মেথড
২।এমিটার বায়াস মেথড
৩।বায়াসিং উইথ কালেক্টর ফিডব্যাক রেজিস্টর
৪।ভোল্টেজ ডিভাইডার বায়াস।
এদের মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় হল ভোল্টেজ ডিভাইডার বায়াস।
এবার এদের একে একে আলোচনা করা যাক।
বেস রেজিস্টর বায়াস


সুবিধা বলতে এটা সিম্পল।বায়াসিং সার্কিট সোর্স কে লোড করেনা।
এর পদ্ধতির সমস্যা হল এটা খুব আন স্টেবল কনফিগারেশন।থার্মাল রানওয়ের সম্ভবনা বেশী।তাই এই পদ্ধতি মূলত সুইচিং এর কাজে লাগে।
এমিটার বায়াস মেথড

সুবিধা হল এই সার্কিট কনফিগারেশন ট্রাঞ্জিস্টর এর গেইন এর উপর নির্ভর করে না, কিন্তু সমস্যা হল এখানে দুটো ভোল্টেজ সোর্স লাগে।
কালেক্টর ফিডব্যাক মেথড

সমস্যা হল নেগেটিভ ফিডব্যাক গেইন কমিয়ে দেয়,এবং কালেক্টর রেজিস্টরে ভোল্টেজ ড্রপ বেশী হয়।

ভোল্টেজ ডিভাইডার বায়াস


এখানে ভোল্টেজ ডিভাইডার এর কাজ করেছে R1 এবং R2।
দুটো রেজিস্টর লাগানো আছে মেইন সাপ্লাই এবং গ্রাউন্ডের মাঝে।R2 রেজিস্টর এর মাঝে ভোল্টেজ ড্রপ বেস এমিটার জাংশান কে ফরোয়ার্ড বায়াস প্রদান করে।এর জন্যই কোনো এক্সটারনাল ইনপুট সিগ্ন্যাল ছাড়াই কালেক্টরে একটা কারেন্ট আউটপুট পাওয়া যায়। এটাকে বলে “জিরো সিগ্ন্যাল কালেক্টর কারেন্ট”।
Re রেজিস্টরটি দেওয়া হয়েছে স্টেবিলাইজেশন এর জন্য।এই কনফিগারেশনে কালেক্টর কারেন্ট গেইন এর উপর নির্ভর করেনা। তাই এটা এমন একটি বায়াসিং পদ্ধতি যেটা স্টেবল এবং ট্রাঞ্জিস্টর এর প্যারামিটার চেঞ্জ এর উপর নির্ভর করেনা। তাই এই পদ্ধতি এত জনপ্রীয়।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে কী ভাবে বিভিন্ন রেজিস্টরের মান সিলেক্ট করবেন।
প্রথমেই বলে নিই এখানে আমি বেশী থিওরিটিক্যাল আলোচনায় যাচ্ছিনা।মূলত হবিইস্টদের উপযোগী করে লিখছি।
১।R2 রেজিস্টরের ভ্যলু এবং সোর্স সাপ্লাই ভোল্টেজ এর মান এমন ভাবে রাখুন যাতে করে, R2 রেজিস্টরের ভোল্টেজ ড্রপ ইনপুট সিগ্ন্যালের নেগেটিভ ভোল্টেজের ম্যাগিচিউড এর থেকে বেশী হয়।
মনে করুন আপনি যে সিগ্ন্যাল টি এম্পিফাই করতে চাইছেন, তার নেগেটিভ পার্টের ম্যাক্সিমাম এম্লিচিউড ৫ ভোল্ট।তার মানে R2 রেজিস্ট্যান্স এ ভোল্টেজ ড্রপ অন্তত ৫ ভোল্টের থেকে বেশি করতে হবে।
নোটঃ R1 এর ভ্যালু সাধারনত R2 এর থেকে বেশী হয়।(সাধারনত প্রায় দ্বিগুন রাখা হয়)। Rc এর মান এম্মন রাখা হয় যাতে করে ইনপুট সিগ্ন্যালের সর্বোচ্চ ডেভিয়েশনেও কালেক্টর কারেন্ট ম্যাক্সিমাম কালেক্টর কারেন্ট লিমিটকে ক্রশ না করে।(ম্যাক্সিমাম কালেক্টর কারেন্ট ডেটাশিটে দেওয়া থেকে)। এই রেজিস্ট্যান্স এর মান তুলনার অন্যগুলোর থেকে কমই হয়।
RE রেজিস্টরের মান সাধারনত বেশীই রাখা হয়।  সাধারনত এমন একটি ভোল্টেজ বারাসিং তৈরি করার চেষ্টা করে হয় যাতে করে-
Vcc>VCE>VBE>VE
উদাহরন দিলে ভালো হবে বুঝতে।
ভোল্টেজ সোর্স মনে করুন ১২ ভোল্ট,ইনপুট সিগ্নালের সর্বোচ্চ নেগেটিভ পিক ভোল্টেজ ৩ ভোল্ট। এখন যদি আপনি R1=10k and R2=5k নেন তাহলে ফরোয়ার্ড ভোল্টেজ হবে চার ভোল্ট। এর ফলেই ফেইথফুল এম্পলিফিকেশন সম্বব।


উপরের ছবিটা একটা প্র্যাক্টিক্যাল সিঙ্গেল ট্রঞ্জিস্টর এম্পলিফায়ারের।
এখানে দুটো ক্যাপাসিটর এক্সট্রা যোগ করা হয়েছে।এদের কাজ নিম্নরূপ।
যখন একটি সিগ্ন্যাল সোর্স ইনপুটে কানেক্ট করা হয় তখন ওই সোর্সের রেজিস্ট্যান্স R2 এর সাথে প্যারালাল হয়, হলে বারাসে পরিবর্তন হয়ে যায়। তাই সিগ্ন্যাল সোর্স কে আইসোলেট করে শুধু এসি সিগ্ন্যাল কে বেসে চালান করার জন্য C1 ক্যাপাসিটর টি ব্যবহার করা হয়েছে।এর মান সাধারনত ১০ থেকে ৫০ মাইক্রোফ্যারাড রাখা হয়।
CE ক্যাপাসিটর টি এম্পিফায়েড এসি সিগ্ন্যালের জন্য  লো রেজিস্ট্যান্স বাইপাস এর জন্য ব্যবহার করা হয়। যদি তা না করা হত তাহলে পুরো কারেন্ট RE রেজিস্ট্যান্স এর ভিতর দিয়ে যেত।ফলে অনেকটা ভোল্টেজ ড্রপ করে যেত ফলাফল হিসাবে আউটপুট ভোল্টেজ কমে যেত।এর ভ্যালু সাধারনত কয়েকশো মাইক্রোফ্যারাড হয়।
আর একটা ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয় কালেক্টর এর সাথে যেটা এখানে দেখানো হয় নি, এটা ব্যবহার করা হয় অন্য কোনো ট্রাঞ্জিস্টর এর সাথে কাপ্লিং এর জন্য।
চলবে...............।।
লেখা -অভিজিৎ মাইতি।( B-tech, Electrical Engineering)


Saturday, 23 January 2016

পিজো ইগ্নাইটার

কয়েকদিন আগে পেজে একটা পোষ্ট দেওয়া হয়েছিল পিজো ইগ্নাইটার নিয়ে।আজকাল সব লাইটারের ভিতরেই থাকে এটা।আজ জানবো, সবার পরিচিত এই যন্ত্র টা কাজ করে কিভাবে, আর কিভাবেই বা এলো এর আইডিয়া।
কুরি দম্পতির নাম আমরা প্রায় সুকলেই শুনেছি, রেডিওএক্টিভিটি নিয়ে গবেষনা করতে করতে তারা আরো অনেক জিনিস আবিষ্কার করেছিলেন যা আমাদের অনেকেরই অজানা, আজকের আধুনিক সভ্যতায় যাদের অবদান অপরিহার্য।তেমনি একটা আবিষ্কার এই পিজো ইলেক্ট্রিসিটি।
আমাদের প্রকৃতিতে এমন কিছু কেলাস অর্থাৎ ক্রিস্টাল পাওয়া যায় যাদের একপ্রকার বিশেষ গুন আছে। এদের কেলাসের অভ্যন্তরিন অনু পরমানুর শয্যা এমন থাকে, যদি বাইরে থেকে চাপ প্রয়োগ করে যদি এদের আকার বদলানোর চেষ্টা করা হয় তা হলে এই পৃষ্টতলে বৈদ্যুতিক চার্য জমা হয়। কিভাবে কোথায় চাপ দেওয়া হচ্ছে তার উপর উৎপন্ন ভোল্টেজের পরিমান নির্ভর করে। এগুলো ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিষয়।প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এই রকম কয়েক টা ক্রীস্টাল হল কোয়ার্টজ (এটা ঘড়িতে থাকে),টোপাজ, রচেলি সল্ট, টুরমেলিন গ্রুপ খনিজ সমূহ, এছাড়া আরো অনেক আছে। ল্যাবে কৃত্রিম ভাবেও এইরকম ক্রীস্টাল বানানো হচ্ছে।

এদের মধ্যে কয়েকটি হল বেরিয়াম টিটানেট,পটাশিয়াম নিওবেট, সোডিয়াম টাংস্টেট ইত্যাদি।
আশ্চর্যের কথা হল আমাদের শরীরের “ডি এন এ” এর মধ্যেও এই ধর্ম দেখতে পাওয়া যায়।
ফিরে আসি লাইটার এর কথায়, কি ভাবে তা হলে এটা আগুনের ফুল্কি অর্থাৎ স্পার্ক সৃষ্টি করে?

এর ভেতরের যন্ত্রাংশ গুলি এমন ভাবে লাগানো থাকে যে,যখনি আপনি আঙ্গুল দিয়ে চাপ দেন,ওই চাপ স্প্রিং এর মাধ্যমে চলে যায় ভিতরে থাকে ক্রীস্টালে, নিয়ম অনুয়ায়ী এটা ভোল্টেজ সৃষ্টি করে এর পৃষ্টতলে। এই ভোল্টেজ এর পরিমান হয় কয়েক হাজার ভোল্ট যেটা একটা ইলেক্ট্রিক্যাল স্পার্ক সৃষ্টি করতে যথেষ্ট।

এখন দেখাযাক এই আশ্চর্য ক্রীস্টাল আর কি কি কাজে লাগতে পারে।
আপনার এলার্ম ঘড়ির বাজার স্পীকার টা পিজো ক্রীস্টাল দিয়ে বানানো।
ফুটপাতের নিচে রেখে মানুষের চলাচল থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করা যেতে পারে।

সম্প্রতি একটা গবেষনায় এটাকে পেসমেকারের সাথে লাগিয়ে এমন পেসমেকার বানানোর কথা বলা হচ্ছে যেটায় কোনোদিন ব্যাটারি চেন্জ করতে হবে না।

Friday, 15 January 2016

ইন্ডিয়ান রেলওয়ে নিয়ে দশটি ইন্টারেস্টিং তথ্য।(দেখুন তো কতগুলো জানেন)

INDIAN RAILWAY 2016
ইন্ডিয়ান রেলওয়ে নিয়ে দশটি ইন্টারেস্টিং তথ্য।(দেখুন তো কতগুলো জানেন)

১। প্রথম রেল যোগাযোগ চালু হয় ১৬ই এপ্রিল ১৮৫৩ সালে। মুম্বাই থেকে থানের মধ্যে।
২। ভারতে যত লম্বা রেললাইন আছে সব যোগ করলে পৃথিবী র নিরক্ষরেখা বরাবর দেড় বার পাক দেওয়া যাবে।
৩।মেতুপালায়াম নীলগিরি প্যাসেঞ্জার সবথেকে স্লো ট্রেন। স্পিড মাত্র ১০ কি.মি. প্রতি ঘন্টায়।
৪। সবথেকে জঘন্য ট্রেন গুয়াহাটি ত্রিভান্দ্রম এক্সপ্রেস। গড়ে লেট করে দশ থেকে বারো ঘন্টা।
৫। ইন্ডিয়াতে টোটাল প্রায় ৭৫০০ বড় স্টেশন আছে।
৬। একটানন কোথাও না থেমে ৫২৮ কিমি চলে ত্রিভান্দম নিজামুদ্দিন রাজধানী এক্সপ্রেস।
৭।একই যায়গায় দুটো স্টেশন শ্রীরামপুর আর বেলাপুর।
৮। সবথেকে লম্বা স্টেশন এর নাম Venkatanarasimharajuvaripeta। নিজ দায়ীত্বে উচ্চারণ করে নিন। আমি উইকিপিডিয়া থেকে নিয়েছি।
৯। সবথেকে পাওয়ারফুল ইঞ্জিন WAG 9, 6350HP
১০।প্রথম টানেল তৈরি হয় থানের কাছে, ১৮৬৫ সালে, নাম পারসিক টানেল।
আপনার জন্য প্রশ্ন : এই পোষ্টে একটা স্টেশন এর নাম দুবার আছে। কি সেটা?
কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
নলেজ ভাগ করলে বাড়ে, তাই চাইলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে। আগামি পর্বের জন্য লাইক রাখুন আমাদের পেজে।
আজ এই পর্যন্তই।শুভকামনা সবার জন্য।
(জ্যোৎস্না ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স)

Tuesday, 12 January 2016

ফ্যান আস্তে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ * কম হয় * বেশী হয় * একই হয়?

সকালে আমাদের পেজে একটা প্রশ্ন করা হয়েছিল।
ফ্যান আস্তে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ * কম হয় *
বেশী হয় * একই হয়?
কয়েকজন সঠিক উত্তর দিয়েছেন। অনেকেই একটু আলাদা ভাবে ভেবেছেন।
এই আসলে কি ঠিক?
এখন থাকলো কারন সহ সঠিক উত্তর সাথে রেগুলেটর কেনার ব্যাপারে কিছু টিপস।
যদি, আপনি ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ( বড় সাইজের ভারী)  ব্যবহার করেন তা হলে পাখা আস্তে বা জোরে ঘুরুক বিদ্যুৎ খরচ একই হবে। কিন্তু কেন?

এর ভিতর থাকে রেজিস্টিভ তারের কুণ্ডলী যেটার মেইনলি পাঁচটা ট্যাপ করা থাকে। এই পদ্ধতিরে পাখার কারেন্ট কমিয়ে স্পিড কমানো হয়। পাখার মোটর কম বিদ্যুৎ খরচা করে ঠিকি কিন্তু যতটা পাওয়ার কম খরচা করে ততটা রেগুলেটর এর রেজিস্ট্যান্স জন্য তাপ হিসাবে নষ্ট হয়।
কাজেই মোট খরচ একই হয়। এগুলোর দাম কম। ব্যবহার না করাই ভালো।
একবার খারাপ হলে সারানোতে ঝামেলা বেশি। অন্তত আমার তাই মনে হয়।
এবার আসি আধুনিক ইলেক্ট্রনিক রেগুলেটর এর কথায়, এই ডিভাইস টির প্রান থাইরিস্টর ক্যাটাগরির একটা সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস।একে ট্রায়াক বলা হয়। মেইনলি কয়েকটা কম্পোনেন্ট থাকে এর ভিতর ইন্ডাক্টর,  ক্যাপাসিটর, ট্রায়াক,ভেরিয়েবল রেজিস্ট্যান্স। এই ভেরিয়েবল রেজিস্ট্যান্সটাই আসলে বাইরের নবটা যেটা ঘোরানো হয়। আমাদের সাপ্লাই ভোল্টেজের ওয়েভফর্ম সায়নুসয়ডাল এবং  এটা কন্টিনিউয়াস। ফায়ারিং এংগেল এর উপর নির্ভর করে এই ট্রায়াক নামের পাওয়ার ইলেক্ট্রনিক কম্পোনেন্ট টি এই ওয়েভফর্ম এর কিছু পার্ট কেটে বাদ দিয়ে দেয়।

 এই ফায়ারিং এংগেল টা আপনি  নিয়ন্ত্রণ করেন বাইরে থেকে রেজিস্ট্যান্স এর নব ঘুরিয়ে।ফলে পাখার মোটরে গড় পাওয়ার কম সাপ্লাই হয়।ফলে পাখা আস্তে চলতে শুরু করে। যে পরিমান পাওয়ার কম যায়, ক্যাপাসিটর তা পুনরায় মেইন সাপ্লাই এ ফিরিয়ে দেয়।ফলে কোনো পাওয়ার নষ্ট হয় না। আপনার ইলেক্ট্রিক বিল ও কম আসে।
এই ইলেক্ট্রনিক রেগুলেটর আবার বাজারে দু রকম পাওয়া যায়।
একটা তে কোনো ঘাট থাকে না স্মুথলি স্পিড কন্ট্রোল করা যায়। বাজারে দাম প্রায় একশো টাকার মত। এটাতে মোটরে কিছু ডিসটর্সন হয়। আমার মনে হয় এটা পাখার লাইফ টাইম কমিয়ে দেয়।
আর এক রকম আছে এগুলোর পাঁচটা ঘাট আছে। দাম একটু বেশি।এগুলোই একটু বেশি ভালো বলে মনে হয় আমার।
ইলেক্ট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে টর্ক ইউনিফর্ম থাকেনা, মোটরে কিছু মেকানিক্যাল স্ট্রেস পড়ে। একটু পুরানো হলে পাখায় নয়েজ হওয়া একটা সমস্যা।
সেদিক থেকে রেজিস্ট্যান্স রেগুলেটর ই ভালো।
অনেকে দেখেছি ইলেক্ট্রনিক রেগুলেটর খারাপ হলে আর সারায় না। এটা সারানো সম্ভব।বেশিরভাগ আমি দেখেছি ভোল্টেজ সার্জ বা অন্য কোনো কারনে মাইলার ক্যাপাসিটর টি খারাপ হয়ে যেতে। এটা পালটে দিলেই কাজ মিটে যায়।
আশা করি ফ্যান কেনার ব্যাপারে এবার আপনি সচেতন।
কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
নলেজ ভাগ করলে বাড়ে, তাই চাইলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে। আগামি পর্বের জন্য নজর রাখুন আমাদের পেজে।
আজ এই পর্যন্তই।শুভকামনা সবার জন্য।
(জ্যোৎস্না ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স)

Saturday, 9 January 2016

সকালের চটপট নাস্তা হোক বা দুপুরের ভারী খাবার, তাড়াতাড়ি বানাতে আধুনিক গৃহিণী দের প্রথম পছন্দ ইন্ডাক্সন ওভেন।

সকালের চটপট নাস্তা হোক বা দুপুরের ভারী খাবার, তাড়াতাড়ি বানাতে আধুনিক গৃহিণী দের প্রথম পছন্দ ইন্ডাক্সন ওভেন।
মূলত শহরে ব্যবহার হলেও আজ কাল গ্রামে গঞ্জেও বাড়ছে এর ব্যবহার। ঝামেলা বিহীন কিউট একটা প্লেট মাত্র। আর তাতেই কেল্লাফতে। ভাবছেন আমি কি টেকনোলজি ছেড়ে এবার রান্না শেখাতে এসেছি? না না মোটেও তা নয়। এবার তা হলে কাজের কথায় আসি।
দেখতে যতই সুন্দর হোক এর ভিতরের কাজ কারবার কিন্তু এতটা সহজ নয়।নিরবে কাজ করে চলে জটিল ইঞ্জিনিয়ারিং।
প্রথমেই বলে রাখি এটা কিন্তু কোনো নতুন টেকনোলোজি নয়।প্রথম পেটেন্ট হয় ১৯০৯ সালে।

একটা মজার জিনিস হল, এই ওভেনে শুধুমাত্র মেটাল পট টাই গরম হয়। অন্য কিছু কিন্তু হয় না। আপনি একটা বই অথবা কাপড় প্লেটের উপর রেখে দেখুন,দেখবেন গরম হচ্ছে না,এবার একটা এক টাকার কয়েন রেখে দেখুন কেমন গরম হচ্ছে।
কিন্তু কেন এমন টা হয়??
একটা ফেরোম্যাগ্নেটিক মেটেরিয়াল কে যদি অল্টারনেটিং ম্যাগ্নেটিক ফিল্ডের মধ্যে রাখা হয়,তা হলে ইন্ডাক্টেন্স এর কারনে ওই মেটালের ভিতর একরকম বিদ্যুৎ প্রবাহ সৃষ্টি হয়।একে বলে এডি কারেন্ট।মেটালের রেজিস্ট্যান্স ওই কারেন্ট কে বাধা দেয় এর ফলে হিটারের মতো ওই মেটাল গরম হয়ে ওঠে। মেটাল না রেখে যদি অন্য কিছু রাখা হয় তা হলে এই এডি কারেন্ট ইন্ডিউস হয় না।কাজেই গরম হবার কোনো প্রশ্নই থাকেনা।
ওভেনের ভিতর এই অল্টারনেটিং ম্যাগ্নেটিক ফিল্ড তৈরি করতে একটি জটিল ইলেক্ট্রনিক সার্কিট ব্যবহার করা হয়। ফ্রীকোয়েন্সি ২০ কিলো হার্তজ থেকে ১০০ কিলো হার্তজ হয় সাধারনত।
অনেক ওভেনে এইরকম একটা ফিচার থাকে যে,কোনো কিছু প্লেটের উপর না থাকলে অটোমেটিক ওভেন অফ হয়ে যায়।
একটা মাইক্রোকন্ট্রোলার কনজিউমড পাওয়ার ক্যালকুলেশন করে এই কাজ টা করে থাকে।
একটি সাধারণ হিটারের থেকে এটা অনের এনার্জি এফিসিয়েন্ট।
যাই হোক সবার এই সব বুঝে কাজ নেই। কিন্তু রান্না করার সময় কিছু সতর্কতা আপনাকে নিতেই হবে-
১।কোনো হার্ট পেসেন্ট কে ওভেনের কাছে যেতে দেবেন না বিশেষ করে যাদের পেসমেকার আছে। ইন্টারফেয়ারেন্স পেসমেকার কে বিকল করে দিতে পারে।
২। স্টিলের খুন্তি ব্যবহার করবেন না, এতে ইন্ডাক্টিভ লিকেজ কারেন্ট আপনার দেহে আসবে।আপনি ও রেডিয়েশন এর শিকার হতে পারেন। কাঠের ব্যবহার করুন।
৩। প্লেটের দিকে বেশী ঝুঁকে রান্না করবেন না,যতটা সম্ভব দূর থেকে করার চেষ্টা করুন।
৪। রান্না সময় বুক পকেটে মোবাইল রাখবেন না।
৫। রেডিও টেলিভিশন ওভেন থেকে দূরে রাখুন।
  প্রথমবার যখন ওভেন সারাই দারুন শক খেয়েছিলাম, এখনো মনে আছে।ভিতরে অনেক বড় বড় ক্যাপাসিটর থাকে।এগুলো চার্জ স্টোর করে রাখে। সাপ্লাই অফ থাকলেও এগুলো থেকে শক খাবার সম্ভবনা প্রবল।
যাক এসব বেরসিক কথাবার্তা।
এখন বলুন তো কে কে ভালো রান্না করতে পারেন। এখনকার মেয়েরা শুনি ভালো রান্না করতে পারেনা। কি জানি নিজেকেই রান্না করে খেতে হবে মনে হয়।
আজ এই পর্যন্তই।
কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
নলেজ ভাগ করলে বাড়ে, তাই চাইলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে। আগামি পর্বের জন্য নজর রাখুন আমাদের পেজে।
শুভকামনা সবার জন্য।
(জ্যোৎস্না ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স)

স্টেশনে হোক বা লাইনে কয়েকটা লেখা প্রায়শই চোখে পড়ে যেমন EMU,MEMU,DMU ইত্যাদি। কখোনো মনে প্রশ্ন জেগেছে কী, এগুলোর মানে আসলে কী? কেনই বা এতবার লেখা থাকে?

: ইন্ডিয়ান রেলওয়ে এক্সাম ২০১৬:
(পরীক্ষায় আসুক বা না আসুক জানতে ক্ষতি কী?)
স্টেশনে হোক বা লাইনে কয়েকটা লেখা প্রায়শই চোখে পড়ে  যেমন EMU,MEMU,DMU ইত্যাদি। কখোনো মনে প্রশ্ন জেগেছে কী, এগুলোর মানে আসলে কী? কেনই বা এতবার লেখা থাকে?
আজকের পোস্ট টি MEMU  নিয়ে।
(MEMU)
পুরো নাম মেসিন ইলেক্ট্রিক মান্টিপল ইউনিট।
এটার গঠনগত বৈশিষ্ট্য অনেকটাই EMU মতো।( ই এম ইউ নিয়ে জানতে আগের পোষ্ট দেখুন)
সাথে আরো এক্সট্রা ফেসিলিটি যোগ করা হয়েছে। যেমন
১.এটে টয়লেট এর সুবিধা আছে।
২। একটা কোচ থেকে আর একটা কোচে যাওয়া যায়,মানে পুরো ট্রেন টা আপনি ঘুরতে পারবেন।
৩।অনেক বেশি ডিস্টেন্স সফর করার উপযোগী করে এটি বানানো।
৪।এর একটি পাওয়ার কার চারটি কোচ কে টানতে পারে।
৫। একটা মেমু সাধারণত ষোলো থেকে কুড়িটা কোচের হয়,যেখানে ই এম ইউ তে থাকে মাত্র বারোটা কোচ।
৬।স্পিড থাকে প্রায় একশো পাচ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায়।
৭। মোটর কোচে সিট থাকে ৭৬ টা,এবং ট্রেলার কোচে সিট থাকে ১০৮ টা।
ইন্ডিয়া তে প্রথম মেমো প্যাসেঞ্জার চলে ১৯৯৫ সালে রায়পুর থেকে বিলাসপুর এর মধ্যে।
বর্তমানে দুরপাল্লার প্যাসেঞ্জার ট্রেন গুলো বেশিরভাগ মেমু ক্যাটাগরির।

কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
নলেজ ভাগ করলে বাড়ে, তাই চাইলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে। আগামি পর্বের জন্য নজর রাখুন আমাদের পেজে।
আজ এই পর্যন্তই।শুভকামনা সবার জন্য।
(জ্যোৎস্না ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স)

Friday, 8 January 2016

ইন্ডিয়ান রেলওয়ে আপনার সেফটির কথা কতটুকু ভাবে? আজকের পোষ্ট এমনি একটি ডিভাইস নিয়ে, যা দুর্ঘটনা থেকে ট্রেন কে বাঁচায়।

: ইন্ডিয়ান রেলওয়ে এক্সাম ২০১৬:
(পরীক্ষায় আসুক বা না আসুক জানতে ক্ষতি কী?)
ইন্ডিয়ান রেলওয়ে আপনার সেফটির কথা কতটুকু ভাবে?
আজকের পোষ্ট এমনি একটি ডিভাইস নিয়ে, যা দুর্ঘটনা থেকে ট্রেন কে বাঁচায়।
নাম VCD, পুরো নাম ভিজিলেন্স কল্ট্রোল ডিভাইস।
দুরপাল্লার যাত্রায় ট্রেন চালু করার পরে লোকোপাইলটের বিশেষ কিছু করার থাকেনা, অলস ভাবে সকল মিটারের গতিবিধিরর উপর নজর রাখতে হয়। কোনো কারনে, হতে পারে শারীরিক অসুস্থতা বা ক্লান্তি। গরম কালের ভোরের দিকে ড্রাইভার এর ঘুমে চোখ জড়িয়ে আসা একটা কমন ফ্যাক্ট। কিন্তু =এর ফলাফল হতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা।
ড্রাইভার এর এই ঘুম কাটাতেই এই ডিভাইস এর আগমন।



এটা একটা মাইক্রোপ্রসেসর বেসড পোগ্রামড ডিভাইস। এটা একটা ডিলে সাইকেল হিসাব করে কাজ করে।  ড্রাইভার কে সবসময় কোনো না কোনো ডিভাইস অপারেট করতেই হবে। যদি কোনো কারনে এক মিনিটের মধ্যে পাইলট এর কোনো এক্টিভিটি না থাকে,এই ডিভাইস তা ডিটেক্ট করে এবং একটা হলুদ আলো ব্লিংক করাতে থাকে ড্রাইভার এর মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য,এর পরেও যদি পাইলট এর কোনো এক্টিভিটি না ধরা পড়ে তা হলে ডিভাইস টি পোগ্রাম অনুযায়ী আট থেকে দশ সেকেন্ড ধরে সাইরেন বাজাতে থাকে ও আলো জ্বালাতে থাকে। এর পরেও যদি লোকোপাইলট কিছু না করে,অটোমেটিক ভাবে ব্রেকিং সিস্টেম একটিভেট হয় এবং দাঁড়িয়ে পড়ে।
এই ডিভাইস টি চলে ব্যাটারি থেকে ১১০ ভোল্ট ডিসি তে।
                                        
কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
নলেজ ভাগ করলে বাড়ে, তাই চাইলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে। আগামি পর্বের জন্য নজর রাখুন আমাদের পেজে।
আজ এই পর্যন্তই।শুভকামনা সবার জন্য।
(জ্যোৎস্না ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স)

Tuesday, 5 January 2016

ইন্ডিয়ান রেলওয়ে তে রিজার্ভেশন নিয়ে একটি মজার তথ্য। এমন ঘটনা যেটা অনেকেই সাথেই ঘটেছে কিন্তু কেউই সেভাবে খেয়াল করেনি।

: ইন্ডিয়ান রেলওয়ে এক্সাম ২০১৬:
(পরীক্ষায় আসুক বা না আসুক জানতে ক্ষতি কী?)
ইন্ডিয়ান রেলওয়ে তে রিজার্ভেশন নিয়ে একটি মজার তথ্য। এমন ঘটনা যেটা অনেকেই সাথেই ঘটেছে কিন্তু কেউই সেভাবে খেয়াল করেনি।
আমার বন্ধু অরুন, তার বড় আক্ষেপ। কত বার লং রুটের নাইটে রিজার্ভেশন করে ট্রেনে সফর করেছে,প্রতিবার ভাবে এবার যদি একটা মেয়ের পাশে সিট পাই,কিন্তু বিধি বাম, ম্যাক্সিমাম সময়ই পাশে কোনো মেয়ে থাকে না। বলুল তো একটা ব্যাচেলার ছেলের স্বপ্ন এইভাবে ভেঙে গেলো,এর থেকে খারাপ আর কী বা হতে পারে।
লক্ষ্য করলে দেখবেন বেশিরভাগ সময় পাশাপাশি মেয়েরাই সিট পায়,আর ছেলেরা আলাদা। মেয়েদের এই সিটের সিলেকশন এর ব্যাপার টা বেশী প্রাধান্য পায় আঠারো থেকে চব্বিশ বছর বয়েশী মেয়েদের বেলায়। সিট কোনোভাবে ই সমবয়সী ছেলেদের কাছে থাকেনা।(ব্যাতিক্রম হয় মাঝেমাঝে)
কি এই সিট সিলেকশন এর রহস্য?
এর পিছনে কাজ করে চলে সফটওয়ার পোগ্রামিং এর এক বিশেষ জটিল এলগরিদম, একটা লজিক্যাল ক্যালোকুলেশণ। এটা অনেক টা এই রকম।
ধরুন ১৯ বছরের একটা মেয়ে রিজার্ভেশন করাতে চায়,সফটওয়্যার খুঁজতে থাকে আর কোথায় সেম ক্লাসে মেয়েদের কাছে সিট খালি আছে।যদি থাকে তা হলে সিলেক্ট করে।না পেলে অন্য কথা।এর ফলে সমবয়সী মেয়েরা পাশাপাশি সিট পায়।ছেলেদের বেলাতেও সেম রুল, পাশাপাশি ছেলে রাখা হয়। (ব্যাতিক্রম সবজায়গা তেই হতে পারে)
এত গেল এলগরিদম এর কথা। কিন্তু আমার বন্ধুর কি হবে, মেয়ের পাশে বসার শখ কি আর পুরন হবে না?
একটা ট্রিক্স থাকলো আমার ব্যাচেলর বন্ধুদের জন্য, বাকিরা চোখ বন্ধ করুন।

এটা অনেক টা কম্পিউটার কে বোকা বানানো, প্রথমে কম বয়সি মেয়ের জন্য একটা টিকিট কাটুন অনেক আগে থেকে, একদম শেষ সময়ে ওই টিকিটটা ক্যানসেল করুন,আর নিজের জন্য তক্ষুনি সাথে সাথে একটা টিকিট বুক করুন। ভাগ্য একটু সহায় হলে আপনি কিছুক্ষণ পরেই সুন্দরী দের মাঝখানে।
উলটো পালটা কিছু ঘটলে আমি বা আমার পেজ কিন্তু দায়ী না। এই তো কদিন আগে ট্রেনে ধর্ষন নিয়ে খবরের কাগজ সরগরম ছিল।রোজ খারাপ খবর শুনতে আর ভালো লাগে না।সারাদিন তাই মেতে আছি টেকনোলোজি নিয়ে। এটাই ভালোবাসি। দেখেছি বিভিন্ন ইলেক্ট্রিক্যাল বা ইলেক্ট্রনিক্স রিপেয়ার শপে মানুষ কে কী হারে ঠকানো হয়।ওরা এটাকে লাভ বলেই বলে। যাই হোক আমি কাউকে দোষ দেব না। আমি চাই ন্যায্য মূল্যে মানুষ কে পরিসেবা দিতে।নিজের একটা ওয়ার্কশপ খোলার চেষ্টায় আছি।এখন আপাতত লেখালেখি করছি আমার ব্লগে আর পেজে।
পারসোনাল কথা বলে আপনাদের বোর করার জন্য আন্তরিক ভাবে আমি দুক্ষিত।
পারলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।
ভালো থাকবেন সবাই।লাইকে রাখতে পারেন এই পেজ টা।

বেশিরভাগ প্যাডেল করা তিন চাকার গাড়িগুলোর(যেমন রিক্সা,টলি ভ্যান ইত্যাদি) পিছনের চাকা দুটো কেমন টলমল করে চলতে থাকে। কিন্তু প্রশ্ন হল কেন এমন টা হয়? কই অটো বা ফোর হুইলারে তো সচরাচর এমন হয় না?

আশেপাশে চোখে দেখি প্রতিদিন,কিন্তু মনে প্রশ্ন জাগে কী? আজকের পোস্ট একটা কমন ফ্যাক্ট নিয়ে।
একটু ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখবেন বেশিরভাগ প্যাডেল করা তিন চাকার গাড়িগুলোর(যেমন রিক্সা,টলি ভ্যান ইত্যাদি) পিছনের চাকা দুটো কেমন টলমল করে চলতে থাকে।অনেকে একে আবার চাকার টাল ও বলে।
কিন্তু প্রশ্ন হল কেন এমন টা হয়? কই অটো বা ফোর হুইলারে তো সচরাচর এমন হয় না?
একটু কল্পনা করুন। রিক্সা টা বাম দিকে বাঁক নেবে। এখন বাম দিকের চাকাকে ডান দিকের চাকার থেকে কম ডিস্টেন্স পার করতে হবে।কাজেই ঘুরতেও হবে কম।কিন্তু দুটো চাকা তো একই শ্যাফটের সাথে লাগানো থাকে তা হলে কি ভাবে আলাদা স্পিডে ঘুরবে? আসলে পারে না। মাটির উপর স্লিপ করতে  থাকে,এর ফলে প্রচুর পরিমান মেকানিক্যাল চাপ পড়ে চাকার উপর এবং বেয়ারিং এর উপর। তাই যে সব রিক্সা বেশি বাঁক রাস্তায় চলে, কিছুদিন পরে তার পিছনের চাকাগুলো নড়বড়ে হয়ে যায়।
  এবার আসি ফোর হুইলারে। দেখবেন গাড়ি র নিচে পিছনের দিকে বড় গোল মত কালো রঙ এর একটা জিনিস আছে যার সাথে একটা লম্বা ঘুরতে থাকা স্যাফট ইঞ্জিন থেকে কানেক্টেড থাকে। এই কালো গোল জিনিসটার ভিতর এক জটিল মেকানিক্যাল গিয়ার সিস্টেম থাকে যার ফলে পিছনের দুটো চাকা বাঁক নেবার সময় আলাদা স্পিডে ঘুরতে পারে। 
                                  

ভাবছেন আজ রেল ছেড়ে ফোর হুইলারে কেন? আসছি এবার রেল নিয়ে।
রেলে কিন্তু এমন কোনো গিয়ার সিস্টেম থাকে না, একদম সাধারন রিক্সার মতোই।
এখুনি প্রশ্ন করবেন, তাহলে বাঁক নেবার সময় কেন লাইন থেকে পড়ে যায়না?
একটু ভালো করে দেখলে দেখবেন চাকা পুরোপুরি ফ্ল্যাট নয়।দুটো চাকাতেই একদিকে কিছুটা উঁচু অংশ থাকে, যেটা লাইনের ভিতরের দিকে থাকে,এটাই সহজে ট্রেন কে ডিরেল্ড হয়ে দেয়না। লাইনের থেকে চাকা কিছুটা বেশি চওড়া হয়,যাতেকরে চাকা সামান্য স্লিপ করেও ডিরেল্ড না হয়েও বাঁক নিতে পারে।
আজ এ এপর্যন্তই। কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
নলেজ ভাগ করলে বাড়ে, তাই চাইলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে। আগামি পর্বের জন্য নজর রাখুন আমাদের পেজে।
আজ এই পর্যন্তই।শুভকামনা সবার জন্য।
(জ্যোৎস্না ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স)


Monday, 4 January 2016

স্টেশনে হোক বা লাইনে কয়েকটা লেখা প্রায়শই চোখে পড়ে যেমন EMU,MEMU,DMU ইত্যাদি। কখোনো মনে প্রশ্ন জেগেছে কী, এগুলোর মানে আসলে কী? কেনই বা এতবার লেখা থাকে?

: ইন্ডিয়ান রেলওয়ে এক্সাম ২০১৬:
(পরীক্ষায় আসুক বা না আসুক জানতে ক্ষতি কী?)
স্টেশনে হোক বা লাইনে কয়েকটা লেখা প্রায়শই চোখে পড়ে  যেমন EMU,MEMU,DMU ইত্যাদি। কখোনো মনে প্রশ্ন জেগেছে কী, এগুলোর মানে আসলে কী? কেনই বা এতবার লেখা থাকে?
আজকের পোস্ট টি "ই এম ইউ"(EMU) নিয়ে।বাকিগুলো পরে পরে হবে।
পুরো নাম হল "ইলেক্ট্রিক মাল্টিপল ইউনিট"। মজার জিনিস হল এই ট্রেনের জন্য আলাদা করে কোনো ইঞ্জিন দরকার পড়েনা।একই সাথে ইঞ্জিনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও প্যাসেঞ্জার এর জন্য বসার যায়গা থাকে। অনেকগুলো ইঞ্জিন ইউনিট পুরো ট্রেনে ছড়িয়ে থাকে।এর জন্য একাধিক পেন্টোগ্রাফ এর দরকার। পড়ে।ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবে।
সাধারণ ভাবে এটা কম ডিস্টেন্স এর লোকাল ট্রেন। প্রথম ই এম ইউ চালানো হয়েছিল ১৮৯৩ সালে লিভারপুলে।তারপর থেকেই এই টেকনোলোজি জনপ্রিয় হতে থাকে।
এর অনেক সুবিধা আছে যেমন খুব দ্রুত স্পিড এক্সিলারেট করতে পারে,কম ডিস্টেন্সে ফুল স্পিড থেকে থামতে পারে, ইত্যাদি।
একটা ই এম ইউ তে চারটা থেকে বারোটা কামরা থাকে। মূলত চার ধরনের কার থাকে, যেমন-
১।পাওয়ার কার: এর কাজ লাইন থেকে পাওয়ার নেওয়া আর বিভিন্ন অংশে ডেলিভারি করা।
২।মোটর কার: এখানে ট্র‍্যাকশন মোটর গুলো থাকে। অনেক কামরায় কিছুটা ঘেরা দেওয়া অংশ থাকে লক্ষ্য করবেন।এর ভেতরে এগুলো থাকে।
৩।ড্রাইভিং কার: এখানে লোকোপাইলট অর্থাৎ ড্রাইভার বসে।যাবতীয় কন্ট্রোল এখানে থাকে।দুটো ড্রাইভিং কার থাকে একেবারে সামনে আর একেবারে পিছনে।
৪।ট্রেলার কার: এখানে শুধু প্যাসেঞ্জার এর বসার যায়গা থাকে।
একটা পাওয়ার কার তিনটে কোচ কে টানতে পারে।মানে বারো কোচের একটা লোকাল ট্রেন কে টানতে চারটা পাওয়ার কার লাগে।
নলেজ ভাগ করলে বাড়ে, তাই চাইলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে। আগামি পর্বের জন্য নজর রাখুন আমাদের পেজে।
আজ এই পর্যন্তই।শুভকামনা সবার জন্য।
(জ্যোৎস্না ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স)

: ইন্ডিয়ান রেলওয়ে এক্সাম ২০১৬: (লোকোমোটিভ ব্রেকিং নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য)

এতবড় ট্রেন টাকে থামানো কি আর সহজ কাজ,কত কায়দাই না করতে হয় লোকোপাইলট কে।তবেই না এত স্মুথলি প্রত্যেক স্টেশনে থামতে পারে।
আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ব্রেকিং টেকনিক। এক্সাম হোক বা ইন্টার্ভিউ, সমান গুরুত্বপূর্ণ।
অনেক রকম টেকনিকের মধ্যে আজ বলছি মূল তিনটের কথা।
১। রিওস্ট্যাটিক ব্রেকিং:
যেকোনো গতিশীল বস্তুরই একটা গতি শক্তি থাকে,এটা ভরবেগ বা মোমেন্টাম।এর ফলে বাইরে থেকে কোনো শক্তি না দিলেও নিজের ভরবেগের কারনে এটা গতি বজায় রাখবে।একটা ট্রেনের ভর যেহেতু বিশাল তাই ভরবেগ ও হয় প্রচুর। তাই শুধু সাধারণ ব্রেক দিয়ে একে থামানো মুস্কিল হয়ে পড়ে।
আমরা জানি শক্তির বিনাশ নেই,তাই বুদ্ধিমানের কাজ হল ভরবেগের এই গতি শক্তিকে শুষে নিয়ে অন্য কোনো শক্তিতে রূপান্তরিত করা। রিওস্ট্যাটিক ব্রেকিং এর এটাই মূল কথা।
একটা ইঞ্জিনে মোট ছটা ডিসি সিরিজ মোটর লাগানো থাকে।এটা এমন এক ধরনের মোটর যেটা মোটর হিসাবেও কাজ করতে পারে আবার প্রয়োজনে জেনারেটর হিসাবেও কাজ করতে পারে।
যখন ব্রেকিং এর প্রয়োজন পড়ে তখন মোটরের পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ করে দেওয়া হয়।কিন্তু মোটর চাকার সাথে কানেক্টেড থাকার জন্য তখনো ঘুরতে থাকে,এখন এটা জেনারেটর এর মত কাজ করতে থাকে, এটা তখন চাকার গতিশক্তি কে শুষে নিয়ে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এই বিদ্যুৎ শক্তি কে একটা রেজিস্টর এর ভিতর দিয়ে পাঠিয়ে নষ্ট করে দেওয়া হয়।অনেকটা আপনার বাড়ির হিটারের মতো।রেজিস্ট্যান্স গুলো গরম হয়ে যার,এগুলো ঠান্ডা করতে কুলার লাগানো থাকে। এর ফলে চাকার শক্তি কমে আসে ফলে ট্রেন স্লো হয়ে আসে।
:রিজেনারেটিভ ব্রেকিং:
এটির ও মূল নীতি একই,শুধু রেজিস্টর এর ভিতর শক্তি নষ্ট না করে,একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পুনরায় সাপ্লাই এ পাঠিয়ে দেওয়া হয়।এর ফলে অনেক পাওয়ার সেভিং হয়। এখন বেশিরভাগ ট্রেনে এই টেকনোলোজি ইউজ করা হয়।
:মেকানিক্যাল ব্রেকিং:
স্পীড যখন বেস খানিকটা কমে আসে,রিজেনারেটিভ ব্রেকিং এর প্রভাব অনেকটা কমে আসে, তখন কাজে আসে এয়ার প্রেসার নিউম্যাটিক ব্রেকিং।এটা অনেকটা আপনার সাইকেলের ব্রেকের মতো।শুধু হাত দিয়ে চাপ দেবার কাজটা করে এয়ার প্রেসার।চাপ লাগে প্রায় প্রতি বর্গ সেমিতে সাড়ে তিন কেজি।
ব্রেকিং এর জন্য লোকোপাইলট এর হাতে থাকে দুটো কন্ট্রোল ভালব SA9 and A9।
              পরে আলোচনা হবে এগুলো নিয়ে। আগামি পর্বে থাকছে এমারজেন্সি ব্রেক নিয়ে।পারলে শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে।
আপনার জন্য: বাড়ির অথবা কারখানার ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে যেকোনো সমস্যার বিনামূল্যে সলিউশন টিপস পেতে যুক্ত থাকুন আমাদের পেজে। আপনার এক্সামের জন্য আগাম শুভকামনা Jyotshna Electricals and Electronics এর তরফ থেকে। নতুন কিছু নিয়ে জানার আগ্রহ থাকলে প্রশ্ন করতে পারেন।